Mamata on Tukde Tukde Gang। BJP আসল ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’! TMC প্রার্থীকে মেরে ফেলতে চায় ওরা

Spread the love

Mamata on Tukde Tukde Gang: ভাঙড়ের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ভাঙড়ের ভোজেরহাট ফুটবল মাঠের জনসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘ওরা শওকতকে মেরে ফেলতে চায়। ওরা চায় ওর নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হোক। ওর নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হলে এবং ওর ওপর হামলা হলে আমি তা বরদাস্ত করব না। বিজেপি আমার সঙ্গে লড়াই করতে পারছে না, তাই তারা ওকে টার্গেট করছে। এখানকার কিছু নেতা বহিরাগতদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। বিজেপি নেতারা প্রচুর নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বিজেপির ভ্যানিশ কমিশন শওকতের নিরাপত্তা সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে। প্রয়োজন হলে আমি আমার নিরাপত্তা সরিয়ে শওকতকে দেব। আমার নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। আমি গুন্ডাদের ভয় পাই না।’

‘মহিলা সংরক্ষণ বিল ছিল মুখোশ’, তোপ মমতার

সেই রেশ ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিল নিয়ে ধাক্কা খাওয়ার পরে আজ রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তা নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘আমি শুনেছি প্রধানমন্ত্রী মোদী আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওঁর ভাষণ মিথ্যায় ভরা। ডিলিমিটেশনের মাধ্যমে ওরা দেশ ভাগ করতে চেয়েছিল। ওরাই আসল টুকরে টুকরে গ্যাং। মহিলা সংরক্ষণ বিল ছিল ওদের একটি লোক দেখানো মুখোশ। ডিলিমিটেশনের পর ওরা এনআরসি চালু করত এবং মানুষকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাত। SIR-এর নামে ওরা ইতিমধ্যেই আপনাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে।’

‘দাঙ্গাবাজরা কখনও কোনও দেশের নেতা হতে পারে না’

সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করেছি এবং সংসদে তাদের পরাজিত করেছি। বিজেপি অন্য দুটি দলের সমর্থনে সংখ্যালঘু সরকার চালাচ্ছে। তারা সমর্থন প্রত্যাহার করলে কী হবে? গতকাল থেকেই বিজেপির পতন শুরু হয়েছে। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী আজ দেশবাসীকে সম্বোধন করতে বাধ্য হচ্ছেন। দাঙ্গাবাজরা কখনও কোনও দেশের নেতা হতে পারে না।’

‘ভাঙড়ে বিজেপির এজেন্ট আছে’, দাবি মমতার

তারইমধ্যে নাম না করে নওশাদ সিদ্দিকিদের আক্রমণ শানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভাঙড়ে বিজেপির কিছু এজেন্ট আছে। তারা বোমা ছোড়ে এবং তারপর বিজেপিকে ফোন করে লোকেদের গ্রেফতার করতে বলে। তাদের বিশ্বাস করবেন না। তারা বিজেপির টাকায় চলে। বিজেপির মতোই অন্যান্য ধর্মেও কিছু সাম্প্রদায়িক শক্তি আছে যারা বিজেপির থেকে টাকা নেয় এবং নিজেদের সম্প্রদায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *