টাকা দিয়ে বিজেপি এক্সিট পোল করিয়েছে বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিয়োবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেটা টিভিতে দেখাচ্ছে, এটা বিজেপির অফিস থেকে (পাঠানো হয়েছে)। বেলা ১ টা ৮ মিনিটে এটা সার্কুলেট করেছে। টাকা দিয়ে বলেছে, এটা যেন দেখানো হয়। তার কারণ আমার কাছে স্পেসিফিক ইনফরমেশন এসেছে ১ টা ৮ মিনিটে।’ আর কী কারণে সেরকম করা হয়েছে, তারও কারণ দর্শিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আসল সত্যিটা বেরোলে শেয়ার বাজারে ধস নামবে। সেজন্য শেয়ার মার্কেটকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে (এটা করেছে)…..এটা আমার কাছে স্পেসিফিক খবর আছে।’
হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, তবে বিজেপি সরকার গড়বে, ইঙ্গিত সমীক্ষায়
এমনিতে এবার অধিকাংশ এক্সিট পোলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে বাংলায় বিজেপি সরকার গড়বে। ২০২১ সালে যেমন বিজেপির ব্যবধানে জয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, এবার সেটা হয়নি। অধিকাংশ বুথফেরত সমীক্ষায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এবার। তবে শেষপর্যন্ত বাজিমাত করবে বিজেপি।
২৩০ আসনও পেতে পারি, দাবি মমতার
কিন্তু সেইসব এক্সিট পোল ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা ২৩০ আসনও পেতে পারি। ২২৬ ক্রস করব ২০২৬ সালে। মানুষ যেভাবে ভোট দিয়েছেন, তাতে আমার তাঁদের প্রতি সম্পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে।’

দরকারে আমিও পাহারা দেব, বার্তা মমতার
তবে সেজন্য তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা যাতে চুপচাপ বসে না থাকেন, সেই বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে ভোটগণনার শেষমুহূর্ত পর্যন্ত চূড়ান্ত সতর্ক থাকতে হবে। আজ থেকেই পাহারা দিতে হবে ইভিএম। প্রয়োজনে তিনি নিজেও পাহারা দিতে নামবেন।
ভোটগণনার দিন এজেন্টরা যাতে সারাক্ষণ থাকেন, সেই নির্দেশও দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি জানিয়েছেন, খেতে বা শৌচালয়ে গেলেও বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে বসিয়ে যেতে হবে। আর যতক্ষণ না তিনি সাংবাদিক বৈঠক করছেন, ততক্ষণ যেন তৃণমূল এজেন্টরা গণনাকেন্দ্রেই থাকেন। নাহলে কারচুপি হতে পারে বলে দাবি করেছেন তৃণমূল এজেন্ট।