হাজার-হাজার আত্মঘাতী জঙ্গি তৈরি আছে – জইশ-ই-মহম্মদের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহার এমনই হুমকি দিয়েছে বলে দাবি করা হল। একটি ভাইরাল অডিয়োয় (সত্যতা যাচাই করেনি ) একজনকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘এটা (আত্মঘাতী জঙ্গি) একটা নয়, দুটো নয়, ১০০ টা নয়, ১,০০০ টাও নয়, যদি পুরো সংখ্যাটা বলে দিই, তাহলে কাল পুরো দুনিয়ার সংবামাধ্যমে হইচই পড়ে যাবে।’ আর ওই অডিয়োয় যার গলা শোনা গিয়েছে, সে আদতে পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠী জইশের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ বলে একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। তবে সেই অডিয়ো কবেকার, তা স্পষ্ট নয়।
এমনিতে অভিযোগ ওঠে যে দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের ‘আদর’ খেয়ে আসছে মাসুদ। পাকিস্তানে বসেই ভারতে হামলা চালানোর ছক কষে। কিন্তু ইসলামাবাদ কখনও পদক্ষেপ করে না। তবে অপারেশন সিঁদুরের সময় জইশের ভিত নাড়িয়ে দেয় ভারত। ভাওয়ালপুরে জইশের সদর দফতরের একেবারে নিখুঁত নিশানা করে ভারতীয় বাহিনী। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, পহেলগাঁও হামলার পরে ভারত যে রুদ্ধশ্বাস অপারেশন চালিয়েছিল, তাতে মাসুদের একাধিক নিকটাত্মীয় খতম হয়ে গিয়েছিল।
আর যে দেশের ‘আদর’ খায় মাসুদ, সেই পাকিস্তান এখন স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছে। জিও টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আসিফ খোয়াজা দাবি করেন, ভারতের সঙ্গে তাঁর দেশের চারদিনের যুদ্ধের পর থেকেই নাকি পাকিস্তানের সামরিক সামগ্রী বিক্রির ‘অর্ডার’ বেড়ে যাচ্ছে। আসিফ বলছেন,’আমাদের বিমান পরীক্ষা করা হয়েছে, এবং আমরা এত বেশি অর্ডার পাচ্ছি যে ছয় মাসের মধ্যে পাকিস্তানের আর আইএমএফের প্রয়োজন হবে না।’এছাড়াও আসিফ বলেন,’এই মুহূর্তে, এই পর্যায়ে পৌঁছানোর পর আমরা যে পরিমাণ অর্ডার পাচ্ছি তা উল্লেখযোগ্য কারণ আমাদের বিমানগুলি পরীক্ষা করা হয়েছে।’ এদিকে, সৌদি আরবের কাছে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ চোকাতে পারেনি পাকিস্তান। রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুসারে, পাকিস্তান, সৌদি আরবের সাথে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ মেটানোর ক্ষেত্রে, চিনের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সম্পর্কিত একটি সামরিক চুক্তিতে রূপান্তর করার জন্য আলোচনা করছে।
