Mehul Choksi extradition case update। ১৩,০০০ কোটি টাকার জালিয়াতি মামলায় চোকসিকে ভারতের আনার পথ পরিষ্কার

Spread the love

পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের প্রায় ১৩,০০০ কোটি টাকার জালিয়াতির মামলায় মেহুল চোকসিকে ভারতে আনার পথ পরিষ্কার হয়ে গেল। শুক্রবার বেলজিয়ামের একটি আদালত পলাতক হিরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসির ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে আদালত বেলজিয়ামের আধিকারিকদের হাতে তাঁর গ্রেফতারিকে বৈধ বলে ঘোষণা করেছে। এই মামলার বিষয়ে অবহিত এক আধিকারিকের মতে, চোকসিকে ভারতে আনার দিকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

‘এখনও আপিল করার সুযোগ আছে মেহুল চোকসির’

ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘মেহুল চোকসির কাছে এখনও উচ্চ আদালতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। এর মানে হল যে তাঁকে এখনই আনা যাবে না, তবে প্রথম এবং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’ চার মাস আগে তাঁকে গ্রেফতার হয়েছিল। এর আগে অ্যান্টওয়ার্পের আদালত শুক্রবার ভারতের পক্ষ থেকে বেলজিয়ামের আইনজীবী এবং চোকসির বক্তব্য শোনে এবং রায় দেয় যে তার গ্রেফতারি ও ভারতের প্রত্যর্পণের অনুরোধ সম্পূর্ণ বৈধ।

কবে গ্রেফতার করা হয়েছিল?

উল্লেখ্য, ৬৫ বছরের চোকসিকে সিবিআইয়ের পাঠানো প্রত্যর্পণের অনুরোধের ভিত্তিতে ১১ এপ্রিল বেলজিয়ামের পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। তিনি চার মাসেরও বেশি সময় ধরে জেলে বন্দি রয়েছেন। চোকসি জালিয়াতি করে অ্যান্টিগায় পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কেলেঙ্কারি প্রকাশের কয়েক মাস আগেই তিনি সেখানকার নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন। গ্রেফতার হওয়ার পর চোকসি বেলজিয়ামের বিভিন্ন আদালতে জামিনের আবেদনও করেছিলেন। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হয়নি।

বেলজিয়ামকে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছে ভারত

এদিকে, গত সপ্তাহে ভারত বেলজিয়ামের আধিকারিকদের প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জানানো হয়েছিল যে যদি মেহুল চোকসিকে সেখান থেকে প্রত্যর্পণ করা হয়। তবে তাঁকে মুম্বেইয়ের আর্থার রোডের ১২ নম্বর ব্যারাকে রাখা হবে এবং তাঁর সেলে ভিড় বা একাকীত্ব থাকবে না। মন্ত্রক বলেছে যে তাঁর সেলে অন্তত আরও একজন অপরাধীকে রাখা যেতে পারে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বেলজিয়ামের আধিকারিকদের জানিয়েছে যে জেলের ১২ নম্বর ব্যারাকে প্রতিটি বন্দির জন্য থাকার জায়গা আছে ইউরোপীয় নিয়ম অনুসারে। বেলজিয়ামের আধিকারিকদের পাঠানো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের চিঠিটি মহারাষ্ট্র জেল বিভাগ থেকে প্রাপ্ত বিবরণের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে চোকসির প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে তাঁকে রাখার ব্যবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে বেলজিয়ামের আধিকারিকদের এই বিশ্বাস দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে যে জেলের ব্যবস্থা ইউরোপীয় মান অনুযায়ী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *