Nobel demand of Pak Army Chief-PM। আসিম মুনির ও শেহবাজ শরিফকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হোক

Spread the love

Nobel demand of Pak Army Chief and Prime Minister: পাকিস্তান বর্তমানে এক চরম অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তারইমধ্যে দেশের অভ্যন্তরে এক অদ্ভুত ও চমকপ্রদ দাবি দানা বাঁধতে শুরু করেছে। পাকিস্তানের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী মহল এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশ দাবি তুলেছে যে, দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া উচিত।

কেন এই আকস্মিক দাবি?

ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে পাকিস্তান। মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলোর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে পাক সেনাপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী কূটনৈতিক তৎপরতা না থাকলে এই অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাত হতে পারত। ফেডারেশন অফ পাকিস্তান চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মতো বড় সংগঠনগুলো এই প্রচারণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

পাকিস্তানি ব্যবসায়ী মহলের যুক্তি

১) ব্যবসায়ী মহলের দাবি, আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে এবং উত্তেজনা কমাতে কাজ করছে।

২) ব্যবসায়ী মহলের দাবি, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে পর্দার আড়ালে সমঝোতা করতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ও সরকার যে ভূমিকা নিয়েছে, তা বিশ্বশান্তির জন্য অপরিহার্য ছিল বলে তারা দাবি করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া ও পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া

পাকিস্তানের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে এই দাবির স্বপক্ষে জোর প্রচার চালানো হচ্ছে। তাদের দাবি, যদি অতীতে বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানরা শান্তি স্থাপনের জন্য নোবেল পেতে পারেন, তবে মুনির ও শরিফ কেন নয়? বিশেষ করে ‘গ্লোবাল পিস’ বা বিশ্বশান্তি রক্ষায় পাকিস্তানের অবদানকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার এটিই সেরা সময় বলে তারা মনে করছেন।

সমালোচনা ও ট্রোলিং

তবে এই দাবি ওঠার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে এবং খোদ পাকিস্তানের ভিতরেই শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা ও হাসাহাসি। সমালোচকদের মতে, পাকিস্তান নিজেই যেখানে অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ, সন্ত্রাসবাদ এবং চরম মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে, সেখানে দেশের শীর্ষ নেতাদের নোবেল পুরস্কারের দাবি করাটা হাস্যকর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *