Paresh Adhikari। এহেন পরেশ টিকিট পেতেই মেখলিগঞ্জে নিয়মকে বুড়ো আঙুল তৃণমূলের

Spread the love

নিয়োগ দুর্নীতি বিতর্কে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। আদালতের নির্দেশে চাকরি গিয়েছে তাঁর মেয়ের। এহেন পরেশ অধিকারীকে এবারও প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে প্রার্থী হয়েও নয়া বিতর্কে জড়ালেন পরেশবাবু। নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠল পরেশ অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এদিকে পুলিশের দিকেও আঙুল তুলেছে বিজেপি। অভিযোগ, পরেশের নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতেই মেখলিগঞ্জে তৃণমূলের বাইকবাহিনী ব়্যালি করে। যা নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধির পরিপন্থী। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের দিকেও আঙুল তুলেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, পুলিশ তৃণমূলকে যা ইচ্ছে তাই করতে দিচ্ছে। যদিও কোনও নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরেশ অধিকারী।

এর আগে বাম আমলে ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে মেখলিগঞ্জ থেকে একাধিকবার জিতে মন্ত্রী হয়েছিলেন পরেশ অধিকারী। পরে ২০১৯ সালে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন এবং ২০২১ সালে ঘাসফুল শিবিরের টিকিটে জয়ী হয়ে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হন। ২০২২ সালের অগস্ট পর্যন্ত তিনি সেই দায়িত্বে ছিলেন। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর নাম জড়িয়ে পড়ায় মন্ত্রিত্ব গিয়েছিল পরেশের। ২০২২ সালে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পরেশের মেয়ে অঙ্কিতার নামও জড়িয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, মেধা তালিকায় জালিয়াতি করে তিনি চাকরি পেয়েছেন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে অঙ্কিতার চাকরি বাতিল হয় এবং তাঁকে প্রাপ্ত বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এই সব বিতর্কের আবহে অনেকেই মনে করেছিলেন, এবারের নির্বাচনে দল হয়তো তাঁকে আর টিকিট দেবে না। তবে এসআইআর আবহে নিজের রাজনৈতিক ইনিংসকে পুনরুজ্জীবিত করেন পরেশ। নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার অনশনে বসেছিলেন পরেশ। এরই সঙ্গে মেখলিগঞ্জে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতার ওপরে ভরসা রয়েছে দলের।

এদিকে প্রার্থী হতেই তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ ওঠায় পরেশ অধিকাপী বলেন, ‘লড়তে গেলে কুৎসা হবেই। মানুষ ভালও বলবে, খারাপও বলবে। আলো যদি না থাকে অন্ধকার বোঝা যায় না। আবার অন্ধকার না থাকলে আলো বোঝা যায় না। সেরকমই মমতা-অভিষেক যেভাবে আমাদের উপর ভরসা তাতে আমি কৃতজ্ঞ। ২০২১ সালেও কুৎসা ছিল। বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলাম। এবারও বিপুল ভোটে জয়ী হব। আর দলীয় কোন্দলের জন্যই এখনও প্রার্থী ঠিক করতে পারেনি বিজেপি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *