যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন মানেই কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে নামবে মানুষের ঢল। ২৪ তারিখ মধ্যরাত থেকেই শুরু হয়ে যায় মানুষের আনন্দ উৎসবের মেজাজ। এবারেও তার অন্যথা হয়নি। তবে শুধু পার্ক স্ট্রিট নয়, বড়দিনের এই উৎসবে মেতে ওঠে বো বারাক, অ্যালেন পার্ক, সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল চার্চ।
এই বড়দিন উৎসবে একেবারে দুর্গাপুজোর মেজাজেই যেন আবার সেজে ওঠে কলকাতা। তবে শুধু কলকাতা কেন, শহরতলির বিভিন্ন স্থানেও এই বিশেষ দিনে সুন্দর করে সাজানো হয় চার্চ, সেজে ওঠে গোটা শহর। এবার শুধু সুদূর মুম্বইয়ে বসে ক্রিসমাসে কলকাতায় কাটানো দিনের কথা মনে করলেন অমিতাভ বচ্চন।
সম্প্রতি, বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে অমিতাভ তাঁর ব্লগের মাধ্যমে সকলকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়ে লেখেন, ‘সবাইকে বড়দিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। সবার জীবন সুখ সমৃদ্ধি এবং আনন্দে ভরে উঠুক এই কামনাই করি। আজ কলকাতার কথা ভীষণ মনে পড়ে যাচ্ছে। ২৪ এবং ২৫ ডিসেম্বর কলকাতার মধ্যরাতে যে ভিড় দেখা যায়, তা দেখে যেন নস্টালজিক হয়ে পড়ছি।’
অমিতাভ নিজের ব্লগের মাধ্যমে বারবার বুঝিয়েছেন এই শহরটার সঙ্গে তিনি কিভাবে আত্মিকভাবে যুক্ত রয়েছেন। জীবনের প্রথম কাজ থেকে শুরু করে শ্বশুরবাড়ি সবকিছুই যে এই কলকাতায় রয়েছে তাঁর। হাজার হোক তিনি যে বাঙালির জামাইবাবু, সে কথা বারবার নিজের মুখেই স্বীকার করেন তিনি।
কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে শুরু করে যে কোন উৎসব, এই শহরে আসার কোনও সুযোগ ছাড়েন না অমিতাভ। সম্প্রতি কৌন বানেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানে এসেও বারবার তিনি কলকাতার সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা স্মরণ করেছেন।

তবে শুধু বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য তা নয়, একাধিক বাঙালি অভিনেতা অভিনেত্রী এবং পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন অমিতাভ। বেশ ভালো বাংলাও বলতে পারেন তিনি। তাই কলকাতার আলোর রোশনাই দেখে যে একটু হলেও মন খারাপ হয়েছে অমিতাভের তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।