সোমবার ভোরে হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় একটি কার্গো বিমান ছিটকে গিয়ে পড়ে সমুদ্রে। সেই বিমানটি দুবাই থেকে হংকংয়ে গিয়েছিল। বিমানটি রানওয়ে থেকে সমুদ্রে পড়ে যায় বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দর অপারেটর। এই দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় মৃত দু’জনেই বিমানবন্দরের একটি গাড়িতে ছিলেন। দুর্ঘটনাটি স্থানীয় সময় ভোর ৩টে ৫০ মিনিটে ঘটেছিল।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে বিমানটি এমিরেটসের সংস্থার ছিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানবন্দরের তরফে জানানো হয়েছে, বিমানের চার ক্রুকে উদ্ধার করা হয়েছে। একজন গ্রাউন্ড স্টাফকেও উদ্ধার করা হয়েছে, অপর একজন নিখোঁজ রয়েছেন। ফ্লাইট-ট্র্যাকিং পরিষেবা ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে, হংকংয়ের রানওয়ে থেকে সমুদ্রে পড়ে যাওয়া বিমানটি বোয়িং ৭৪৭ মালবাহী বিমান ছিল।
এদিকে এই ঘটনার ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, বোয়িং ৭৪৭ কার্গো বিমানের একটা অংশ বিমানবন্দরের পাশে সমুদ্রে ডুবে গিয়েছে। আপদকালীন দরজা খোলা, বিমানের লেজ ও সামনের অংশ ভেঙে আলাদা হয়ে গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, অবতরণের সময় বিমানের চাকা হড়কে প্রথমে একটি গাড়িকে পিষে দেয় এবং এরপরে বিমানটি সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার কবলে পড়া কার্গো বিমানটি ৩২ বছরের পুরনো। আগে এই বিমানটিকে যাত্রীবাহী বিমান হিসেবেই ব্যবহার করা হত। হংকং বিমানবন্দর বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত কার্গো বিমানবন্দর। তবে এই বিমান দুর্ঘটনাটির পর বিমানবন্দরে কার্গো বিমান ওঠানামা বন্ধ করা হয়।
