Suvendu & Shamik on Messi GOAT Tour। ‘৩০০ কোটির দুর্নীতি’! ‘মেসিকে অগ্রিম ২৫ কোটি’ নিয়ে প্রশ্ন শমীকের

Spread the love

মেসি ট্যুরে চরম বিশৃঙ্খলা কাণ্ডের আবহে আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে তাকে স্টেডিয়ামে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল। যুবভারতীতে মেসিকে ঘিরে সেই বিশৃঙ্খলা গোটা বিশ্বের মিডিয়ার শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছিল। এর জেরে বাংলার রাজনীতিতেও ঝড় উঠেছে। ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে অরূপ বিশ্বাসকে। এদিকে শুভেন্দু আজ দাবি করেন, রাজ্য সরকারের গঠিত এসআইটি-তে বিশ্বাস নেই তাঁর। এদিকে আজ শুভেন্দুকে যুবভারতীতে ঢুকতে না দেওয়ায় সেখানে দাঁড়িয়েই বিজেপি বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন। শুভেন্দু আজ অভিযোগ করেন, ভোটের মুখে মেসিকে এনে প্রচারের খরচ তুলতেই ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। অরূপ বিশ্বাস ও দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর গ্রেফতারের দাবি তোলেন তিনি।

এদিকে মেসি ট্যুর কাণ্ডে আজ সুর চড়িয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। এই বিষয়ে আজ সাংবাদিক সম্মেলনে শমীক বলেন, ‘আজকে যে বাচ্চা বাচ্চা ছেলেগুলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওরা টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছে মানে তাঁরা যোগ্য। তাঁরা সরকারি চাকরি করেন, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করেন, উচ্চশিক্ষিত ছেলে। আর যাঁর প্রাতিষ্ঠানিক লুঠ করল তাঁরা কোথায়? মেসিকে প্রথম ২৫ কোটি টাকা অগ্রিম কে দিয়েছে? এর মধ্যে গোটা তৃণমূল দল যুক্ত। শুধু একজন ক্রীড়ামন্ত্রীকে অব্যাহতি দিয়ে নাটক করা হচ্ছে। ডিজিকে কে পরিচালনা করে? সরকার।’

এদিকে আজ কলকাতা পুলিশের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে কমিশনার মনোজ বর্মাও এই নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি অবশ্য দোষ চাপান শতদ্রু দত্তের ওপর। তিনি বলেন, ‘শতদ্রু দত্ত একবার কথা বলতে এসেছিলেন, তাজ বেঙ্গল মেসির থাকা নিয়ে। কিন্তু অনুষ্ঠান অন্য জায়গায় চলে যাওয়ার পরে আর কথা হয়নি।’ শীর্ষ পুলিশ কর্তা পীযূষ পান্ডের নেতৃত্বে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে যুবভারতী কাণ্ডের তদন্তের জন্য। সেই দলে রয়েছেন জাভেদ শামিম, সুপ্রতীম সরকার, মুরলীধর শর্মা। পুলিশ কর্তারা বিধানসভার কমিশনারেটেও যান। তারপর তাঁরা যুবভারতী স্টেডিয়ামে পৌঁছন। গোটা স্টেডিয়ামের ঘুরে দেখান তাঁরা। শতদ্রু দত্তের সংস্থার কয়েকজন কর্তা ছাড়াও শনিবার যুবভারতীতে দায়িত্বে থাকা একাধিক সংস্থার প্রতিনিধিদের তলব করা হয়েছে। মোট ছ’জনকে মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। জলের বোতল সরবরাহ, টিকিট বিতরণ এবং দর্শক ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল এই সংস্থাগুলির উপর। মেসির সফরের সময় তাঁদের কাজে কোনও গাফিলতি হয়েছিল কিনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোথায় ঘাটতি ছিল, সে সব বিষয়েই বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *