WB SIR BLO Death। SIR-এ দেগঙ্গার বুথে বাদ ৯৪ ভোটারের নাম! তারপরই মৃত্যু বছর ৪৭-র বিএলও-র

Spread the love

পশ্চিমবঙ্গে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনের শেষ পর্ব চলছে। আদালত নিযুক্ত বিচারপতিরা এখন ‘বিচারাধীন ভোটারদের’ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। সেই মতো সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করছে নির্বাচন কমিশন। আর এই সব তালিকায় বাদ পড়ছে বহু নাম। এই পরিস্থিতিতে এবার ফের এক বিএলও-র মৃত্যু নিয়ে শুরু হল চর্চা। জনা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার আমুলিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ওই বিএলও-র মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম মণিরুল ইসলাম তরফদার, বয়স ৪৭ বছর। মৃতের পরিবারের দাবি, এসআইআরের মানসিক চাপের জেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মণিরুলের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২৯ মার্চ সকাল দশটায় নির্বাচন কমিশনের থার্ড পোলিং অফিসার হিসেবে তাঁর প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা ছিল।

রিপোর্ট অনুযায়ী, দেগঙ্গার আমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯৪ নম্বর বুথের বিএলও ছিলেন মণিরুল ইসলাম তরফদার। সেই বুথে মোট ভোটার ছিলেন ১১৯১ জন। তার মধ্যে নথি যাচাই বাছাইয়ের জন্য ১২৯ জন ভোটারের নাম বিচারাধীন ছিল। পরে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হতে দেখা যায়, মণিরুলের বুথের ৯৪ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই আবহে নাম বাদ পড়া ভোটাররা নাকি মণিরুলকে এসে বলতেন, তাঁরা সব নথি জমা দিলেও কেন তাঁদের নাম বাদ পড়ল।

এদিকে এই ঘটনা ঘটতেই সরব হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তারা নির্বাচন কমিশনকেই কাঠগড়ায় তুলেছে। ভোটারদের নাম বাদ পড়া এবং বিএলও-র মৃত্যু প্রসঙ্গে তৃণমূল পরিচালিত আমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মহম্মদ ইমদাদুল হক বলেন, ‘৯৪ জনের নাম অনৈতিকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এতে উনি ভেঙে পড়েন। আমরা তাঁকে চিন্তা করতে বারণ করেছিলাম। বিজেপি সরকারের স্বৈরাচারী চিন্তাভাবনার জন্য মানুষের জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে। মানুষের এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা দরকার।’

উল্লেখ্য, বাংলায় এসআইআরের ‘চূড়ান্ত তালিকায়’ ৬৩ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছিল। এছাড়া আরও প্রায় ৬০ লাখ ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। এই আবহে বিচারাধীন ভোটারদের যোগ্যতা বিচার করতে বিচারপতিদের নিয়োগ করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। সেই মতো বিচারাধীন থাকা ভোটারদের নথি যাচাই বাছাই করে তা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। এই আবহে রাজ্য জুড়ে লাখ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *